Where are we really going?

Where are we really going?

আমরা কি জীবনকে সহজ করতে গিয়ে নিজের সক্ষমতাই কমিয়ে দিচ্ছি?

কিছুদিন ধরে একটা বিষয় আমাকে ভাবাচ্ছে।

বিষয়টা প্রথমে খুব সাধারণ মনে হতে পারে। কিন্তু একটু গভীরে গেলে এর সঙ্গে আমাদের কাজ, চাকরি, শিক্ষা এবং এখনকার AI-নির্ভর পৃথিবীর একটা অদ্ভুত সম্পর্ক খুঁজে পাওয়া যায়।

প্রশ্নটা হলো—

আমরা কি আমাদের জীবনকে ক্রমাগত সহজ, দ্রুত এবং efficient করতে গিয়ে কখনো কখনো সেই struggle-টুকুও হারিয়ে ফেলছি, যার মধ্য দিয়ে একজন মানুষ নিজের capability তৈরি করে?

আমি কোনো নির্দিষ্ট ব্যবস্থা, AI, চাকরি বা education-এর বিরুদ্ধে কথা বলছি না। বরং নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু বিষয় নিয়ে ভাবছি। হয়তো আমার observation পুরোপুরি সঠিক নয়। কিন্তু মনে হয়, বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের একটু থেমে ভাবা দরকার।

এআই আসার আগে একজন ডেভেলপার কী করত?

আমি software development নিয়ে দীর্ঘদিন কাজ করছি।

AI-assisted বা vibe coding এতটা common হওয়ার আগে একটা software project-এর requirement হাতে পাওয়ার পর কাজটা অনেকটা এমন ছিল—

Requirement বুঝতে হবে।

Business process বুঝতে হবে।

কোন data structure দরকার সেটা ভাবতে হবে।

Database design করতে হবে।

কোন logic কোথায় থাকবে সেটা ঠিক করতে হবে।

কোন function reusable করা যায় সেটা ভাবতে হবে।

কোন class, abstraction বা architecture উপযুক্ত হবে সেটা নিয়ে চিন্তা করতে হবে।

তারপর code লিখতে হবে।

সবচেয়ে interesting অংশ ছিল problem solving

একটা business rule ঠিকমতো কাজ করছে না—কেন?

একটা complex logical flow কীভাবে implement করলে সেটা maintainable হবে?

একটা function কীভাবে design করলে আগামী ছয় মাস পরেও সেটা অন্য জায়গায় ব্যবহার করা যাবে?

অনেক সময় একটা সমস্যার সমাধান বের করতে গিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা চিন্তা করতে হয়েছে। একটা approach কাজ করেনি, আবার নতুনভাবে ভাবতে হয়েছে।

কাজটা সময়সাপেক্ষ ছিল।

কিন্তু এর একটা অন্যরকম আনন্দও ছিল।

সমস্যা সমাধান করতে করতে নিজের problem-solving capability-টাও বাড়ছিল।

এখন AI-এর কারণে একই কাজ অনেক দ্রুত করা যায়।

আমি নিজেও AI ব্যবহার করি এবং এর সুবিধা অস্বীকার করার কোনো কারণ দেখি না। বরং একজন developer হিসেবে AI আমার productivity অনেক বাড়িয়েছে।

আমি requirement review করি, business logic বুঝি, architecture এবং technology stack নিয়ে সিদ্ধান্ত নিই, logical flow নিয়ে ভাবি—তারপর অনেক implementation AI-এর মাধ্যমে করিয়ে নিতে পারি।

আমি চাইলে AI-কে বলতে পারি—

“এই architecture-এর তিনটা alternative দেখাও। প্রত্যেকটার scalability সমস্যা কোথায়? এই business rule-এর edge cases কী হতে পারে? আমি যে approach নিয়েছি, তার weaknesses বের করো।”

এটা নিঃসন্দেহে অসাধারণ শক্তিশালী একটি tool।

কিন্তু তারপরও একটা প্রশ্ন থেকে যায়।

আগে যে আট ঘণ্টা আমাকে একটা সমস্যার সঙ্গে লড়তে হতো, এখন হয়তো দুই ঘণ্টায় সেই কাজ হয়ে যাচ্ছে। আমি ছয় ঘণ্টা সময় বাঁচালাম ঠিকই। কিন্তু সেই ছয় ঘণ্টার mental exercise-টাও তো আর হচ্ছে না।

এখানে আমি AI-কে দোষ দিচ্ছি না।

বরং প্রশ্ন করছি—

আমরা যখন কোনো কাজ outsource করি, তখন কি শুধু কাজটাই outsource করছি, নাকি সেই কাজের মাধ্যমে যে capability তৈরি হওয়ার কথা ছিল, তার চর্চাটাও outsource করে দিচ্ছি?

এই প্রশ্নটাই আমাকে চাকরি জীবনের কথা মনে করিয়ে দেয়

দীর্ঘদিন চাকরি করার অভিজ্ঞতা থেকে আমার মনে হয়েছে, অনেক মানুষের professional life-এও এরকম একটা pattern তৈরি হয়।

চাকরির স্বাভাবিক নিয়ম হলো—organization-এর policy অনুযায়ী কাজ করতে হবে, supervisor বা management-এর instruction অনুসরণ করতে হবে।

এটা নিজে কোনো সমস্যা নয়। একটি organization তো নিয়ম ছাড়া চলতে পারে না।

কিন্তু সমস্যা তৈরি হতে পারে যখন instruction অনুসরণ করাই কাজের প্রধান উদ্দেশ্য হয়ে দাঁড়ায়, আর নিজের চিন্তা করার জায়গাটা ধীরে ধীরে ছোট হতে থাকে।

ধরুন, অফিস থেকে আমাকে কোনো জায়গায় যেতে বলা হলো।

একজন মানুষ হিসেবে আমার brain স্বাভাবিকভাবেই সবচেয়ে সহজ এবং efficient route খুঁজবে।

কিন্তু যদি বলা হয়—

“না, ওই রাস্তা দিয়ে যাওয়া যাবে না। আমাদের procedure অনুযায়ী এই রাস্তা দিয়েই যেতে হবে।”

তখন আমাকে এমন একটি route নিতে হবে, যেটা আমার নিজের analysis অনুযায়ী optimal নয়।

একবার হলে কোনো সমস্যা নেই।

কিন্তু একই জিনিস যদি বছরের পর বছর, শত শত decision-এর ক্ষেত্রে ঘটে, তাহলে একটা প্রশ্ন আসতে পারে—

আমি কি ধীরে ধীরে নিজে সবচেয়ে ভালো উপায় খোঁজার বদলে আমাকে বলা উপায়টাই অনুসরণ করতে অভ্যস্ত হয়ে যাচ্ছি?

আরেকটা বিষয় হলো, সব কাজ মানুষের brain-কে সমানভাবে exercise করে না।

একই ধরনের clerical বা repetitive কাজ প্রতিদিন করতে করতে একজন মানুষ খুব দক্ষ employee হয়ে উঠতে পারেন, কিন্তু তার নতুন কিছু ভাবার, experiment করার বা complex problem solve করার সুযোগ হয়তো খুব বেশি থাকে না।

অন্যদিকে এমন একটি কাজ, যেটা মানুষ নিজের আগ্রহ থেকে করে, সেখানে অনেক বেশি সময় কাজ করেও সে তুলনামূলকভাবে কম tired হতে পারে।

কারণ কাজ শুধু শরীর বা সময় নেয় না।

কাজের সঙ্গে আমাদের mental engagement-এরও সম্পর্ক আছে।

ছাত্র থেকে পেশাজীবন—পার্থক্যটা কোথায়?

আমার মনে হয়, এর একটা বড় পরিবর্তন ঘটে যখন একজন মানুষ student life থেকে professional life-এ প্রবেশ করে।

ছাত্র অবস্থায় একজন মানুষের অনেক সময় একটা অদ্ভুত স্বাধীনতা থাকে।

অন্যায় দেখলে প্রতিবাদ করার সাহস থাকে।

কোনো নিয়মকে অযৌক্তিক মনে হলে প্রশ্ন করতে ইচ্ছা করে।

কোনো authority-কে challenge করার মানসিকতাও থাকে।

শুধু এশিয়ায় নয়, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই আমরা ছাত্রদের আন্দোলন, প্রতিবাদ এবং authority-এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিতে দেখি।

কিন্তু সেই একই মানুষ যখন professional life-এ প্রবেশ করে, তখন পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে।

এখন তার salary আছে।

বাসা ভাড়া আছে।

পরিবার আছে।

সন্তান আছে।

দায়িত্ব আছে।

ভবিষ্যতের security নিয়ে চিন্তা আছে।

তাই যে প্রশ্নটা ছাত্র অবস্থায় খুব সহজে করা যেত—

“এটা অন্যায় কেন?”

চাকরি জীবনে এসে সেটার জায়গায় কখনো কখনো প্রশ্নটা হয়ে যায়—

“আমি এটা বললে আমার চাকরিটা থাকবে তো?”

এখানে হয়তো মানুষের সততা একদিনে হারিয়ে যায় না।

কিন্তু তার freedom to act on that honesty ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে।

আর যদি একজন মানুষের education তাকে এমন কোনো independent capability না দেয়, যার ওপর দাঁড়িয়ে সে প্রয়োজনে নিজের পথ তৈরি করতে পারে, তাহলে এই dependency আরও শক্তিশালী হতে পারে।

তাহলে education-এর প্রশ্নটা কোথা থেকে আসে?

এখানে আমি academic education-এর বিরুদ্ধে একেবারেই কথা বলছি না।

পৃথিবীকে এগিয়ে নিতে engineering, medicine, science, research, PhD এবং অসংখ্য specialized field-এর প্রয়োজন আছে। এসব ক্ষেত্র ছাড়া আধুনিক civilization কল্পনাই করা যায় না।

আমার প্রশ্ন অন্য জায়গায়।

আমাদের education system কি capability তৈরির চেয়ে credential তৈরির দিকে বেশি চলে গেছে?

একজন মানুষ জীবনের প্রথম ২০ বছরেরও বেশি সময় formal education-এর পেছনে ব্যয় করতে পারে।

তারপরও হয়তো এমন কোনো practical capability তৈরি হয় না, যার মাধ্যমে সে independently কোনো meaningful value তৈরি করে নিজের জীবন চালাতে পারে।

অন্যদিকে একজন মানুষ যদি কোনো technical skill গভীরভাবে শেখে—ধরা যাক automobile repair, electrical work, plumbing, machining বা অন্য কোনো practical trade—তাহলে কয়েক বছরের মধ্যেই সে এমন একটি capability অর্জন করতে পারে যার বাস্তব বাজারমূল্য আছে।

এখানে প্রশ্নটা university বনাম technical skill নয়।

প্রশ্নটা হলো—

আমরা কি একজন মানুষকে শুধু চাকরির জন্য প্রস্তুত করছি, নাকি তাকে capable করে তুলছি?

Credential তাকে বলতে পারে—

“তুমি এই degree অর্জন করেছ।”

কিন্তু capability তাকে বলতে পারে—

“তুমি কোনো সমস্যার সমাধান করতে পারো।”

এই দুইয়ের মধ্যে পার্থক্য অনেক বড়।

শিক্ষা, চাকরি আর এআই—তিনটা বিষয় কি এক জায়গায় গিয়ে মিলে?

এখন হয়তো তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে দেখলে connection-টা পরিষ্কার হয়।

Education যদি মূলত মানুষকে credential এবং employability-এর জন্য প্রস্তুত করে, তাহলে তার পরবর্তী ধাপ হয়ে যায় job।

Job-এ এসে সে তার সময়, শ্রম এবং decision-making-এর একটা অংশ organization-এর কাছে দেয়।

এটা বিনিময়ের স্বাভাবিক ব্যবস্থা—organization তাকে salary ও security দেয়।

কিন্তু দীর্ঘদিনের institutional dependency কখনো কখনো মানুষের autonomy, questioning এবং independent decision-making-এর জায়গা ছোট করে দিতে পারে।

আর এখন AI এসে কাজের আরও একটি অংশ outsource করার সুযোগ দিচ্ছে।

বিশেষ করে software development-এর মতো জ্ঞানভিত্তিক কাজে।

আগে যে problem-solving এবং implementation-এর একটা বড় অংশ আমাকে নিজে করতে হতো, এখন তার একটা অংশ AI করতে পারে।

আবারও বলি—

এটা খারাপ কিছু নয়।

AI-এর কারণে আমরা অনেক সময় এমন কাজ করতে পারছি, যেটা আগে সম্ভব ছিল না। Productivity বাড়ছে। নতুন ধরনের কাজ তৈরি হচ্ছে। মানুষের সময় বাঁচছে।

কিন্তু প্রশ্নটা থেকে যায়—

যে capability আমরা AI-এর কাছে outsource করছি, সেই capability তৈরি করার practice-টা কি আমরা সচেতনভাবে ধরে রাখছি?

তাহলে কি AI ব্যবহার করা উচিত নয়?

অবশ্যই উচিত।

আমার নিজের কাজেই AI-এর ব্যবহার তার সবচেয়ে ভালো উদাহরণ।

কিন্তু হয়তো আমাদের একটা distinction করা দরকার।

Mechanical work outsource করা আর thinking outsource করা এক জিনিস নয়।

AI যদি আমার boilerplate code লিখে দেয়, repetitive কাজ করে দেয়, documentation তৈরি করে দেয়—তাতে আমার সময় বাঁচে।

কিন্তু যদি আমি architecture না বুঝে, business logic না ভেবে, problem-এর edge case না বুঝে শুধু AI-এর output গ্রহণ করি, তাহলে হয়তো আমি শুধু কাজের সময়ই বাঁচাচ্ছি না—আমি নিজের thinking-এর একটা অংশও outsource করছি।

তাই হয়তো ভবিষ্যতের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ skill হবে শুধু AI ব্যবহার করা নয়।

AI ব্যবহার করেও নিজের thinking capability ধরে রাখা।

শেষ পর্যন্ত প্রশ্নটা AI, চাকরি বা শিক্ষা নিয়ে নয়

হয়তো আসল প্রশ্নটা আরও সহজ।

একজন মানুষ কীভাবে capable হয়ে ওঠে?

কঠিন সমস্যার সঙ্গে লড়াই করে।

নিজে সিদ্ধান্ত নিয়ে।

ভুল করে।

আবার চেষ্টা করে।

প্রশ্ন করে।

কখনো authority-কে challenge করে।

কোনো skill বারবার practice করে।

নিজের হাতে কিছু তৈরি করে।

কোনো কাজের সহজ উপায় নিজে খুঁজে বের করে।

অর্থাৎ, অনেক সময় struggle-টাই capability তৈরির process-এর অংশ।

আমরা যদি সব struggle সরিয়ে ফেলি, তাহলে জীবন হয়তো অনেক সহজ হবে।

কিন্তু প্রশ্ন হলো—

আমরা কি তখনও একই মানুষ হয়ে থাকব?

হয়তো আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত জীবনকে যতটা সম্ভব সহজ করা নয়।

বরং—

কোন কাজগুলো সহজ করা উচিত, আর কোন কাজগুলো আমাদের নিজেদের করতে দেওয়া উচিত—সেটা বুঝতে শেখা।

AI আমাদের সময় বাঁচাক।

Education আমাদের credential-এর পাশাপাশি capability দিক।

Job আমাদের শুধু salary না দিয়ে value তৈরি করার এবং নিজের চিন্তা প্রয়োগ করার সুযোগ দিক।

আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—

আমরা যেন efficiency-এর বিনিময়ে নিজের capability হারিয়ে না ফেলি।

আমি জানি না এই observation পুরোপুরি সঠিক কি না।

কিন্তু হয়তো প্রশ্নটা করা নিজেই গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ পরিবর্তন সবসময় বড় কোনো সিদ্ধান্ত দিয়ে শুরু হয় না।

কখনো কখনো পরিবর্তন শুরু হয় শুধু একটি প্রশ্ন দিয়ে—

“আমরা আসলে কোথায় যাচ্ছি?”

Comments (0)

No comments yet. Be the first to comment!